নাথেরপেটুয়ার পরানপুর নূরানী মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছনার ঘটনায় সালিশ বৈঠক
- আপডেট সময় : ০৯:১০:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ অগাস্ট ২০২৫ ১১৩১ বার পড়া হয়েছে

নাথেরপেটুয়ার পরানপুর নূরানী মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষককে লাঞ্ছনার ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার বিকেলে মাদ্রাসা ভবনে সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন পরানপুরের কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ জনাব জহিরুল হক ভূঁইয়া। এতে উপস্থিত ছিলেন নূরানী তালিমুল কুরআন বোর্ড, কুমিল্লা জেলা, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ মনোহরগঞ্জ শাখা, ইত্তেহাদুল উম্মাহ ওলামা পরিষদ নাথেরপেটুয়া ও কাওমি মাদ্রাসা সংগঠন সহ বিভিন্ন সামাজিক-ধর্মীয় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
প্রথমে বৈঠক শান্তিপূর্ণভাবে শুরু হলেও মাঝপথে হট্টগোল ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। কয়েক দফা উত্তেজনার পর অবশেষে মাগরিব নামাজের পর সকলের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন সভাপতি জহিরুল হক ভূঁইয়া।
ঘোষিত সিদ্ধান্তসমূহ মুক্তশব্দকে ইত্তেহাদুল উম্মাহ্ ওলামা পরিষদ নাথেরপেটুয়ার সাধারণ সম্পাদক, হাফেজ মুফতি নজরুল ইসলাম জানান
ঘোষিত সিদ্ধান্ত হল…
1. অভিযুক্ত ফরিদের সন্তান আর উক্ত মাদ্রাসায় পড়াশোনা করতে পারবে না।
2. ফরিদের ভাই মমিন, যিনি ঘটনায় প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত থেকে প্রধান শিক্ষককে জবাবদিহিতা করেছেন, তার ছেলে আপাতত মাদ্রাসায় পড়তে পারবে। তবে ভবিষ্যতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলায় সম্পৃক্ত হলে তাকেও বহিষ্কার করা হবে।
3. পরানপুরের জনাব খলিল ভূঁইয়ার চার সন্তান যদি আগামীতে সমাজ বা মাদ্রাসা সংশ্লিষ্ট কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় জড়ায়, তবে তাদেরকে সমাজ থেকে বহিষ্কার করা হবে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে লিখিতভাবে ইষ্টাম তৈরি করা হয়েছে।
এছাড়া অভিযুক্ত ফরিদ তার ভাই মমিনসহ সংশ্লিষ্ট রা বৈঠক শেষ পর্যায়ে, মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও হেনস্তা করা শিক্ষক মাওলানা আতাউল্লাহ সাহেবের পায়ে পড়ে প্রকাশ্যে ক্ষমা চান
বৈঠক শেষে উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ জানান, এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে এবং সমাজের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।










