ঢাকা ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
সোশ্যাল মিডিয়ায় সাড়া ফেলেছে ‘দায়িত্বশীল’ দলীয় শর্ট ফিল্ম ও সংগীত Gentle Opportunities and the Richard Casino No Deposit Bonus Respektowna rozgrywka i innowacyjne rozwiązania w świecie casoola Zkušený patolog a casoola platforma pro virtuální zábavu Grijp je kans, win groots duckysino casino biedt ongeëvenaarde spanning en directe uitbetalingen. ঝুঁকিপূর্ণ সেতুতে আতঙ্কিত শিক্ষার্থীরা: নাথেরপেটুয়ায় দ্রুত মেরামতের দাবি নাথেরপেটুয়ায় আবারও দুর্ঘটনা। নাথেরপেটুয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব পদ থেকে মাওলানা রাশেদুল ইসলাম রহমতপুরীকে অব্যাহতি, এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য সরসপুর ব্রিজের কাজ বন্ধ, চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ, বর্ষার আগে দ্রুত কাজ শেষের দাবি এলাকাবাসীর। নাথেরপেটুয়ায় এসএসসি ও দাখিল ২০২৬ পরীক্ষার্থীদের বিশুদ্ধ পানি ও স্যালাইন বিতরণ করেন ইউনিয়ন ছাত্রদল

নাথেরপেটুয়ায় বৈশাখী মেলা পুনরায় আয়োজনের সম্ভাবনা: স্থানীয়দের আগ্রহ ও প্রত্যাশা

আরিফুল ইসলাম মাহফুজ
  • আপডেট সময় : ০২:৪৮:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬ ৪৫৯ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
  • নাথেরপেটুয়া অঞ্চলে একসময় পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বসতো ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী মেলা, যা ছিলো গ্রামবাংলার সংস্কৃতি, আনন্দ ও মিলনের এক অনন্য আয়োজন। সময়ের সাথে সেই প্রাণবন্ত মেলা আজ অনেকটাই হারিয়ে গেছে, তবে এখনো মানুষের মনে রয়ে গেছে এর মধুর স্মৃতি।

 

এই মেলায় দেখা যেত মাটির পুতুল, বাঁশ ও বেতের তৈরি বিভিন্ন শিল্পপণ্য, হাড়ি-পাতিলসহ নানা লোকজ সামগ্রীর সমাহার। নাগরদোলা ছিলো শিশু-কিশোরদের প্রধান আকর্ষণ, আর মুড়ি-মুড়কি, জিলাপি ও বাতাসার মতো ঐতিহ্যবাহী খাবার মেলাকে করে তুলতো আরও প্রাণবন্ত।

শুধু বিনোদনই নয়, এই মেলা স্থানীয় অর্থনীতির সাথেও ছিলো গভীরভাবে সম্পৃক্ত। গ্রামের কারুশিল্পীরা তাদের নিজ হাতে তৈরি পণ্য বিক্রির সুযোগ পেতেন, যা তাদের জীবিকা নির্বাহে সহায়ক ভূমিকা রাখতো।

বর্তমানে নাথেরপেটুয়া অঞ্চলের তরুণ সমাজের মাঝে আবারও এই ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী মেলা পুনরায় আয়োজন করা যায় কিনা-সে বিষয়ে আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তারা মনে করছেন, এমন একটি আয়োজন গ্রামীণ সংস্কৃতি চর্চার ক্ষেত্র তৈরি করবে এবং নতুন প্রজন্মকে দেশীয় ঐতিহ্যের সাথে পরিচিত করবে।

এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল, জনপ্রতিনিধি ও সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষের মতামত ও সহযোগিতা কামনা করা হচ্ছে। সম্মিলিত উদ্যোগ ও পরিকল্পনার মাধ্যমে কি আবারও প্রাণ ফিরে পেতে পারে নাথেরপেটুয়া’র সেই হারিয়ে যাওয়া বৈশাখী মেলা,এই প্রশ্নই এখন সবার সামনে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

নাথেরপেটুয়ায় বৈশাখী মেলা পুনরায় আয়োজনের সম্ভাবনা: স্থানীয়দের আগ্রহ ও প্রত্যাশা

আপডেট সময় : ০২:৪৮:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
  • নাথেরপেটুয়া অঞ্চলে একসময় পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বসতো ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী মেলা, যা ছিলো গ্রামবাংলার সংস্কৃতি, আনন্দ ও মিলনের এক অনন্য আয়োজন। সময়ের সাথে সেই প্রাণবন্ত মেলা আজ অনেকটাই হারিয়ে গেছে, তবে এখনো মানুষের মনে রয়ে গেছে এর মধুর স্মৃতি।

 

এই মেলায় দেখা যেত মাটির পুতুল, বাঁশ ও বেতের তৈরি বিভিন্ন শিল্পপণ্য, হাড়ি-পাতিলসহ নানা লোকজ সামগ্রীর সমাহার। নাগরদোলা ছিলো শিশু-কিশোরদের প্রধান আকর্ষণ, আর মুড়ি-মুড়কি, জিলাপি ও বাতাসার মতো ঐতিহ্যবাহী খাবার মেলাকে করে তুলতো আরও প্রাণবন্ত।

শুধু বিনোদনই নয়, এই মেলা স্থানীয় অর্থনীতির সাথেও ছিলো গভীরভাবে সম্পৃক্ত। গ্রামের কারুশিল্পীরা তাদের নিজ হাতে তৈরি পণ্য বিক্রির সুযোগ পেতেন, যা তাদের জীবিকা নির্বাহে সহায়ক ভূমিকা রাখতো।

বর্তমানে নাথেরপেটুয়া অঞ্চলের তরুণ সমাজের মাঝে আবারও এই ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী মেলা পুনরায় আয়োজন করা যায় কিনা-সে বিষয়ে আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তারা মনে করছেন, এমন একটি আয়োজন গ্রামীণ সংস্কৃতি চর্চার ক্ষেত্র তৈরি করবে এবং নতুন প্রজন্মকে দেশীয় ঐতিহ্যের সাথে পরিচিত করবে।

এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল, জনপ্রতিনিধি ও সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষের মতামত ও সহযোগিতা কামনা করা হচ্ছে। সম্মিলিত উদ্যোগ ও পরিকল্পনার মাধ্যমে কি আবারও প্রাণ ফিরে পেতে পারে নাথেরপেটুয়া’র সেই হারিয়ে যাওয়া বৈশাখী মেলা,এই প্রশ্নই এখন সবার সামনে।