ঢাকা ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
সোশ্যাল মিডিয়ায় সাড়া ফেলেছে ‘দায়িত্বশীল’ দলীয় শর্ট ফিল্ম ও সংগীত Gentle Opportunities and the Richard Casino No Deposit Bonus Respektowna rozgrywka i innowacyjne rozwiązania w świecie casoola Zkušený patolog a casoola platforma pro virtuální zábavu Grijp je kans, win groots duckysino casino biedt ongeëvenaarde spanning en directe uitbetalingen. ঝুঁকিপূর্ণ সেতুতে আতঙ্কিত শিক্ষার্থীরা: নাথেরপেটুয়ায় দ্রুত মেরামতের দাবি নাথেরপেটুয়ায় আবারও দুর্ঘটনা। নাথেরপেটুয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব পদ থেকে মাওলানা রাশেদুল ইসলাম রহমতপুরীকে অব্যাহতি, এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য সরসপুর ব্রিজের কাজ বন্ধ, চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ, বর্ষার আগে দ্রুত কাজ শেষের দাবি এলাকাবাসীর। নাথেরপেটুয়ায় এসএসসি ও দাখিল ২০২৬ পরীক্ষার্থীদের বিশুদ্ধ পানি ও স্যালাইন বিতরণ করেন ইউনিয়ন ছাত্রদল

ডজনখানেক নেতাকর্মীর দলত্যাগ ও অসংখ্য নেতাকর্মীর অনাস্থায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

বিশেষ প্রতিবেদন
  • আপডেট সময় : ১২:৪৭:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৫০৪ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশের রাজনীতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে একটি স্বতন্ত্র অবস্থান ধরে রেখেছে। নীতিনিষ্ঠ ও আদর্শভিত্তিক রাজনীতির দাবির মাধ্যমে দলটি নিজেদের আলাদা পরিচয় গড়ে তুলেছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে জোট ত্যাগ ও নির্বাচনে ভরাডুবির পর ডজনখানেক নেতাকর্মীর দলবর্জন এবং আরও অনেকের অনাস্থা নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

এটি কি কেবল সাময়িক অস্থিরতা, নাকি দীর্ঘদিনের জমে থাকা অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ?

 

আদর্শভিত্তিক রাজনীতির দাবিদার একটি দলে যদি কর্মীদের মধ্যেই আস্থার সংকট তৈরি হয়, তবে তার কারণ গভীরভাবে পর্যালোচনা করা জরুরি। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে পরিবর্তন আসবে, নাকি গতানুগতিক ধারাই চলবে,

এই প্রশ্ন এখন প্রাসঙ্গিক।

 

ছোটবেলা থেকে রাজনীতি করার তীব্র আগ্রহ থাকলেও বর্তমান বাংলাদেশের ইসলামী রাজনীতিতে সুস্পষ্ট ও বাস্তবমুখী রূপরেখার অভাব আমাকে সক্রিয় রাজনীতি থেকে দূরে রেখেছে। তবে রাজনীতি আমার অপছন্দের বিষয় নয়; বরং আমি বিশ্বাস করি, ইতিবাচক ও নীতিনিষ্ঠ রাজনীতিই সমাজ পরিবর্তনের অন্যতম মাধ্যম।

ছোটবেলা থেকে দলটির নেতাকর্মী ও বিভিন্ন স্তরের নেতৃত্বের সান্নিধ্যে থেকেও আমি ব্যক্তিগতভাবে সদস্য হইনি। কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল দলের নির্দিষ্ট মিশন ও দীর্ঘমেয়াদি রূপরেখা নিয়ে আমার গভীর ভাবনা ও সংশয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই প্রশ্নগুলো আরও স্পষ্ট হয়েছে। আজ যখন কিছু নেতাকর্মী দল ছাড়ছেন বা অনাস্থা প্রকাশ করছেন, তখন মনে হয়,দেরি হলেও দলীয় নেতাকর্মী ও কর্মী সমর্থকরা বুঝতে শুরু করেছেন, যে দলীয় নেতৃত্ব আর বাস্তব মুখী সিদ্ধান্ত আরো কতটা কৌশলগতা এবং দূরদর্শী হওয়া দরকার, পাশাপাশি রাজনীতিকে শুধু ইবাদত মনে করে মৌসুমী বা নির্বাচনী সময় মাঠে থেকে অন্য সময় মাঠ থেকে দূরে থাকা কতটা অপরিণামদর্শী, মানুষ কি তবে বুঝতে শুরু করেছেন? নাকি এটি কেবল ক্ষণিকের প্রতিক্রিয়া?

 

রাজনীতিতে পরিবর্তন অনিবার্য। প্রশ্ন হলো,পরিবর্তন কি আত্মসমালোচনা ও সংস্কারের মধ্য দিয়ে আসবে, নাকি পুরোনো কাঠামো আঁকড়ে ধরে রাখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে? আদর্শের দাবি যদি সত্যিই শক্তিশালী হয়, তবে নেতৃত্বেরও উচিত সময়ের ভাষা বোঝা এবং আস্থার সংকট কাটাতে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া।

 

আরিফুল ইসলাম মাহফুজ 

শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ী

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ডজনখানেক নেতাকর্মীর দলত্যাগ ও অসংখ্য নেতাকর্মীর অনাস্থায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ১২:৪৭:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশের রাজনীতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে একটি স্বতন্ত্র অবস্থান ধরে রেখেছে। নীতিনিষ্ঠ ও আদর্শভিত্তিক রাজনীতির দাবির মাধ্যমে দলটি নিজেদের আলাদা পরিচয় গড়ে তুলেছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে জোট ত্যাগ ও নির্বাচনে ভরাডুবির পর ডজনখানেক নেতাকর্মীর দলবর্জন এবং আরও অনেকের অনাস্থা নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

এটি কি কেবল সাময়িক অস্থিরতা, নাকি দীর্ঘদিনের জমে থাকা অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ?

 

আদর্শভিত্তিক রাজনীতির দাবিদার একটি দলে যদি কর্মীদের মধ্যেই আস্থার সংকট তৈরি হয়, তবে তার কারণ গভীরভাবে পর্যালোচনা করা জরুরি। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে পরিবর্তন আসবে, নাকি গতানুগতিক ধারাই চলবে,

এই প্রশ্ন এখন প্রাসঙ্গিক।

 

ছোটবেলা থেকে রাজনীতি করার তীব্র আগ্রহ থাকলেও বর্তমান বাংলাদেশের ইসলামী রাজনীতিতে সুস্পষ্ট ও বাস্তবমুখী রূপরেখার অভাব আমাকে সক্রিয় রাজনীতি থেকে দূরে রেখেছে। তবে রাজনীতি আমার অপছন্দের বিষয় নয়; বরং আমি বিশ্বাস করি, ইতিবাচক ও নীতিনিষ্ঠ রাজনীতিই সমাজ পরিবর্তনের অন্যতম মাধ্যম।

ছোটবেলা থেকে দলটির নেতাকর্মী ও বিভিন্ন স্তরের নেতৃত্বের সান্নিধ্যে থেকেও আমি ব্যক্তিগতভাবে সদস্য হইনি। কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল দলের নির্দিষ্ট মিশন ও দীর্ঘমেয়াদি রূপরেখা নিয়ে আমার গভীর ভাবনা ও সংশয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই প্রশ্নগুলো আরও স্পষ্ট হয়েছে। আজ যখন কিছু নেতাকর্মী দল ছাড়ছেন বা অনাস্থা প্রকাশ করছেন, তখন মনে হয়,দেরি হলেও দলীয় নেতাকর্মী ও কর্মী সমর্থকরা বুঝতে শুরু করেছেন, যে দলীয় নেতৃত্ব আর বাস্তব মুখী সিদ্ধান্ত আরো কতটা কৌশলগতা এবং দূরদর্শী হওয়া দরকার, পাশাপাশি রাজনীতিকে শুধু ইবাদত মনে করে মৌসুমী বা নির্বাচনী সময় মাঠে থেকে অন্য সময় মাঠ থেকে দূরে থাকা কতটা অপরিণামদর্শী, মানুষ কি তবে বুঝতে শুরু করেছেন? নাকি এটি কেবল ক্ষণিকের প্রতিক্রিয়া?

 

রাজনীতিতে পরিবর্তন অনিবার্য। প্রশ্ন হলো,পরিবর্তন কি আত্মসমালোচনা ও সংস্কারের মধ্য দিয়ে আসবে, নাকি পুরোনো কাঠামো আঁকড়ে ধরে রাখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে? আদর্শের দাবি যদি সত্যিই শক্তিশালী হয়, তবে নেতৃত্বেরও উচিত সময়ের ভাষা বোঝা এবং আস্থার সংকট কাটাতে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া।

 

আরিফুল ইসলাম মাহফুজ 

শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ী