ঢাকা ০৪:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
নাথেরপেটুয়া মডেল স্কুল কর্তৃক আয়োজিত ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। নাথেরপেটুয়ায় বৈশাখী মেলা পুনরায় আয়োজনের সম্ভাবনা: স্থানীয়দের আগ্রহ ও প্রত্যাশা নীরব হৃদয়ের আত্মিক জাগরণ হায় এ বিচ্ছেদ কতই না কঠিন।  নাথেরপেটুয়া শামসুল মাদ্রাসা সারাদেশে মেধা তালিকায় ৩১ ও ৫৪ তম স্থান লাভ করে আবারও শীর্ষে ঈদের আগমনী বার্তা। পবিত্র মাহে রমজান: আত্মশুদ্ধি, ত্যাগ ও বদরের চেতনা মাহে রমাদান, আত্নগঠনের সুবর্ণ সুযোগ। ডজনখানেক নেতাকর্মীর দলত্যাগ ও অসংখ্য নেতাকর্মীর অনাস্থায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নতুন ম্যান্ডেট, নতুন পথচলা,বিএনপির কাছে জনআকাঙ্ক্ষা ও আগামীর বাংলাদেশ

মনোহরগঞ্জে প্রবাসীর ঘরে দুর্ধর্ষ ডাকাতি : যা জানা গেলো।

নাথেরপেটুয়া প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৭:১২:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫ ৭৯৬ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার ১১ নং বিপুলাসার ইউনিয়নের বড় কাঁচি গ্রামে গতকাল রাত প্রায় ৩ টায় (১৯ আগস্ট ২০২৫) এক দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ইতালি প্রবাসী আবদুল হান্নান গতকালের দেশে ফেরার পর রাতেই তার ঘরেই সংঘবদ্ধ ডাকাত দল এ হামলা চালায়।

সরজমিন ভিজিট করে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডাকাতরা মূলত দুই তলা ভবনের দ্বিতীয় তলার ছাদ দিয়ে ঘরে প্রবেশ করে। পরে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ঘরে থাকা প্রবাসীর পরিবারের কাছ থেকে প্রায় সাত থেকে আট ভরি স্বর্ণালঙ্কার এবং নগদ দেড় থেকে দুই লক্ষ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। প্রবাস জীবন থেকে সঞ্চিত অর্থে তিনি পরিবারের জন্য অনেক জিনিসপত্র এনেছিলেন, তবে ডাকাত দল সেসবেরও একটি বড় অংশ নিয়ে যায়।

ডাকাতির পর আবদুল হান্নানকে দিয়ে তারা মূল গেট খুলিয়ে নেয় এবং সংঘবদ্ধভাবে লুটপাটের মালামালসহ বের হয়ে যায়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, বের হওয়ার সময় ডাকাতরা গেট দিয়ে একসঙ্গে বের হচ্ছে।

পুরো ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ বর্তমানে পুলিশের হাতে পৌঁছানো হয়েছে।

আবদুল হান্নানের দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। ছোট ছেলে বর্তমানে দেশে থাকলেও বড় ছেলে ইতালিতেই আছেন। ঘটনার পর সোনাইমুড়ী থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং দ্রুত তদন্তের আশ্বাস দিয়েছে।

স্থানীয়দের উদ্বেগ

গ্রামবাসীর মধ্যে এ ঘটনার পর ব্যাপক আতঙ্ক বিরাজ করছে। এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসীরা বাড়ি ফেরার সময় টার্গেট হচ্ছেন সংঘবদ্ধ চক্রের কাছে। তারা এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন এমন ঘটনায় ব্যক্তিগত ক্ষতির পাশাপাশি সামগ্রিকভাবে সামাজিক অস্থিরতা তৈরি হয়। তাই ডাকাতি প্রতিরোধে প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর যৌথ উদ্যোগ এখন সময়ের দাবি।
পাশাপাশি দেশের উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বর্তমানে লাগামহীনভাবে এই ধরনের সঙ্গবদ্ধ চুরি ডাকাতি চলছে, তাই সবাইকে সচেতনতার ঢাকার আহ্বান রইল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মনোহরগঞ্জে প্রবাসীর ঘরে দুর্ধর্ষ ডাকাতি : যা জানা গেলো।

আপডেট সময় : ০৭:১২:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার ১১ নং বিপুলাসার ইউনিয়নের বড় কাঁচি গ্রামে গতকাল রাত প্রায় ৩ টায় (১৯ আগস্ট ২০২৫) এক দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ইতালি প্রবাসী আবদুল হান্নান গতকালের দেশে ফেরার পর রাতেই তার ঘরেই সংঘবদ্ধ ডাকাত দল এ হামলা চালায়।

সরজমিন ভিজিট করে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডাকাতরা মূলত দুই তলা ভবনের দ্বিতীয় তলার ছাদ দিয়ে ঘরে প্রবেশ করে। পরে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ঘরে থাকা প্রবাসীর পরিবারের কাছ থেকে প্রায় সাত থেকে আট ভরি স্বর্ণালঙ্কার এবং নগদ দেড় থেকে দুই লক্ষ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। প্রবাস জীবন থেকে সঞ্চিত অর্থে তিনি পরিবারের জন্য অনেক জিনিসপত্র এনেছিলেন, তবে ডাকাত দল সেসবেরও একটি বড় অংশ নিয়ে যায়।

ডাকাতির পর আবদুল হান্নানকে দিয়ে তারা মূল গেট খুলিয়ে নেয় এবং সংঘবদ্ধভাবে লুটপাটের মালামালসহ বের হয়ে যায়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, বের হওয়ার সময় ডাকাতরা গেট দিয়ে একসঙ্গে বের হচ্ছে।

পুরো ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ বর্তমানে পুলিশের হাতে পৌঁছানো হয়েছে।

আবদুল হান্নানের দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। ছোট ছেলে বর্তমানে দেশে থাকলেও বড় ছেলে ইতালিতেই আছেন। ঘটনার পর সোনাইমুড়ী থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং দ্রুত তদন্তের আশ্বাস দিয়েছে।

স্থানীয়দের উদ্বেগ

গ্রামবাসীর মধ্যে এ ঘটনার পর ব্যাপক আতঙ্ক বিরাজ করছে। এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসীরা বাড়ি ফেরার সময় টার্গেট হচ্ছেন সংঘবদ্ধ চক্রের কাছে। তারা এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন এমন ঘটনায় ব্যক্তিগত ক্ষতির পাশাপাশি সামগ্রিকভাবে সামাজিক অস্থিরতা তৈরি হয়। তাই ডাকাতি প্রতিরোধে প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর যৌথ উদ্যোগ এখন সময়ের দাবি।
পাশাপাশি দেশের উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বর্তমানে লাগামহীনভাবে এই ধরনের সঙ্গবদ্ধ চুরি ডাকাতি চলছে, তাই সবাইকে সচেতনতার ঢাকার আহ্বান রইল।