ঢাকা ০৮:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
নাথেরপেটুয়া মডেল স্কুল কর্তৃক আয়োজিত ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। নাথেরপেটুয়ায় বৈশাখী মেলা পুনরায় আয়োজনের সম্ভাবনা: স্থানীয়দের আগ্রহ ও প্রত্যাশা নীরব হৃদয়ের আত্মিক জাগরণ হায় এ বিচ্ছেদ কতই না কঠিন।  নাথেরপেটুয়া শামসুল মাদ্রাসা সারাদেশে মেধা তালিকায় ৩১ ও ৫৪ তম স্থান লাভ করে আবারও শীর্ষে ঈদের আগমনী বার্তা। পবিত্র মাহে রমজান: আত্মশুদ্ধি, ত্যাগ ও বদরের চেতনা মাহে রমাদান, আত্নগঠনের সুবর্ণ সুযোগ। ডজনখানেক নেতাকর্মীর দলত্যাগ ও অসংখ্য নেতাকর্মীর অনাস্থায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নতুন ম্যান্ডেট, নতুন পথচলা,বিএনপির কাছে জনআকাঙ্ক্ষা ও আগামীর বাংলাদেশ

নাথেরপেটুয়া উপজেলা হোক — স্থানীয়দের জোর দাবি।

বিশেষ রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০২:৪৫:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫ ৯৩৪ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার প্রাণকেন্দ্র নাথেরপেটুয়া। দীর্ঘদিন ধরেই এ অঞ্চলের সাধারণ মানুষ নাথেরপেটুয়াকে পূর্ণাঙ্গ উপজেলা ঘোষণার দাবি জানিয়ে আসছে। স্থানীয়দের মতে, নাথেরপেটুয়া ভৌগোলিক অবস্থান, জনসংখ্যা, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমের দিক থেকে উপজেলা হওয়ার যথাযথ যোগ্যতা অর্জন করেছে।

বর্তমানে নাথেরপেটুয়া দক্ষিণ কুমিল্লার অন্যতম একটি বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে। প্রতিদিন আশপাশের বিভিন্ন ইউনিয়নের হাজারো মানুষ নাথেরপেটুয়ায় আসা-যাওয়া করে থাকেন। সড়ক ও যোগাযোগ ব্যবস্থার দিক থেকেও নাথেরপেটুয়া ইতোমধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ফলে মানুষের ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ প্রায় সব ধরনের মৌলিক চাহিদার প্রধান নির্ভরস্থল এই নাথেরপেটুয়া।

শুধু তাই নয়, নাথেরপেটুয়ায় রয়েছে একাধিক স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। রয়েছে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন ব্যাংকের শাখা অফিস, ডাকঘরসহ গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর। ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও এখানে গড়ে উঠেছে শতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, মার্কেট ও আর্থিক লেনদেনের আধুনিক কেন্দ্র। ফলে নাথেরপেটুয়া এখন দক্ষিণ কুমিল্লার একটি পূর্ণাঙ্গ প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

স্থানীয়দের দাবি, নাথেরপেটুয়াকে উপজেলা ঘোষণা করা হলে প্রশাসনিক সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাবে এবং উন্নয়নের নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে। পাশাপাশি দক্ষিণ কুমিল্লার মানুষের ভোগান্তি কমবে, কারণ বর্তমানে অনেক বিষয়ে মনোহরগঞ্জ উপজেলা সদরে যেতে হয়, যা সময় ও অর্থ সাশ্রয়ের ক্ষেত্রে বড় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে।

এ ব্যাপারে নাথেরপেটুয়ার ব্যবসায়ী ও মানবিক কর্মী সাইফুল ইসলাম শরীফ “মুক্তশব্দ” কে বলেন বলেন, “আমরা বহু বছর ধরে নাথেরপেটুয়াকে উপজেলা ঘোষণার দাবি জানিয়ে আসছি। এখানে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা থাকা সত্ত্বেও উপজেলা না হওয়াটা সত্যিই দুঃখজনক।”

শিক্ষার্থী, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও মুক্তশব্দের সম্পাদক আরিফুল ইসলাম মাহফুজের ভাষ্যমতে “উপজেলা হলে শিক্ষা ও সংস্কৃতির সুযোগ আরও বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি তরুণদের কর্মসংস্থানেও নতুন দিগন্ত খুলে যাবে।”

সুধীজনরা মনে করেন, নাথেরপেটুয়ার ইতিহাস, অবস্থান, জনসংখ্যা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক গুরুত্ব ও আর্থ-সামাজিক কর্মকাণ্ড বিবেচনা করলে দ্রুত সময়ের মধ্যে এটিকে পূর্ণাঙ্গ উপজেলা ঘোষণা করা উচিত। এ বিষয়ে তারা সরকারের উচ্চ মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

সার্বিকভাবে বলা যায়, নাথেরপেটুয়া এখন শুধু মনোহরগঞ্জ নয়, বরং দক্ষিণ কুমিল্লার মানুষের প্রাণের দাবি
“নাথেরপেটুয়া উপজেলা হোক।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

নাথেরপেটুয়া উপজেলা হোক — স্থানীয়দের জোর দাবি।

আপডেট সময় : ০২:৪৫:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার প্রাণকেন্দ্র নাথেরপেটুয়া। দীর্ঘদিন ধরেই এ অঞ্চলের সাধারণ মানুষ নাথেরপেটুয়াকে পূর্ণাঙ্গ উপজেলা ঘোষণার দাবি জানিয়ে আসছে। স্থানীয়দের মতে, নাথেরপেটুয়া ভৌগোলিক অবস্থান, জনসংখ্যা, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমের দিক থেকে উপজেলা হওয়ার যথাযথ যোগ্যতা অর্জন করেছে।

বর্তমানে নাথেরপেটুয়া দক্ষিণ কুমিল্লার অন্যতম একটি বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে। প্রতিদিন আশপাশের বিভিন্ন ইউনিয়নের হাজারো মানুষ নাথেরপেটুয়ায় আসা-যাওয়া করে থাকেন। সড়ক ও যোগাযোগ ব্যবস্থার দিক থেকেও নাথেরপেটুয়া ইতোমধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ফলে মানুষের ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ প্রায় সব ধরনের মৌলিক চাহিদার প্রধান নির্ভরস্থল এই নাথেরপেটুয়া।

শুধু তাই নয়, নাথেরপেটুয়ায় রয়েছে একাধিক স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। রয়েছে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন ব্যাংকের শাখা অফিস, ডাকঘরসহ গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর। ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও এখানে গড়ে উঠেছে শতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, মার্কেট ও আর্থিক লেনদেনের আধুনিক কেন্দ্র। ফলে নাথেরপেটুয়া এখন দক্ষিণ কুমিল্লার একটি পূর্ণাঙ্গ প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

স্থানীয়দের দাবি, নাথেরপেটুয়াকে উপজেলা ঘোষণা করা হলে প্রশাসনিক সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাবে এবং উন্নয়নের নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে। পাশাপাশি দক্ষিণ কুমিল্লার মানুষের ভোগান্তি কমবে, কারণ বর্তমানে অনেক বিষয়ে মনোহরগঞ্জ উপজেলা সদরে যেতে হয়, যা সময় ও অর্থ সাশ্রয়ের ক্ষেত্রে বড় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে।

এ ব্যাপারে নাথেরপেটুয়ার ব্যবসায়ী ও মানবিক কর্মী সাইফুল ইসলাম শরীফ “মুক্তশব্দ” কে বলেন বলেন, “আমরা বহু বছর ধরে নাথেরপেটুয়াকে উপজেলা ঘোষণার দাবি জানিয়ে আসছি। এখানে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা থাকা সত্ত্বেও উপজেলা না হওয়াটা সত্যিই দুঃখজনক।”

শিক্ষার্থী, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও মুক্তশব্দের সম্পাদক আরিফুল ইসলাম মাহফুজের ভাষ্যমতে “উপজেলা হলে শিক্ষা ও সংস্কৃতির সুযোগ আরও বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি তরুণদের কর্মসংস্থানেও নতুন দিগন্ত খুলে যাবে।”

সুধীজনরা মনে করেন, নাথেরপেটুয়ার ইতিহাস, অবস্থান, জনসংখ্যা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক গুরুত্ব ও আর্থ-সামাজিক কর্মকাণ্ড বিবেচনা করলে দ্রুত সময়ের মধ্যে এটিকে পূর্ণাঙ্গ উপজেলা ঘোষণা করা উচিত। এ বিষয়ে তারা সরকারের উচ্চ মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

সার্বিকভাবে বলা যায়, নাথেরপেটুয়া এখন শুধু মনোহরগঞ্জ নয়, বরং দক্ষিণ কুমিল্লার মানুষের প্রাণের দাবি
“নাথেরপেটুয়া উপজেলা হোক।”