ঢাকা ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
সোশ্যাল মিডিয়ায় সাড়া ফেলেছে ‘দায়িত্বশীল’ দলীয় শর্ট ফিল্ম ও সংগীত Gentle Opportunities and the Richard Casino No Deposit Bonus Respektowna rozgrywka i innowacyjne rozwiązania w świecie casoola Zkušený patolog a casoola platforma pro virtuální zábavu Grijp je kans, win groots duckysino casino biedt ongeëvenaarde spanning en directe uitbetalingen. ঝুঁকিপূর্ণ সেতুতে আতঙ্কিত শিক্ষার্থীরা: নাথেরপেটুয়ায় দ্রুত মেরামতের দাবি নাথেরপেটুয়ায় আবারও দুর্ঘটনা। নাথেরপেটুয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব পদ থেকে মাওলানা রাশেদুল ইসলাম রহমতপুরীকে অব্যাহতি, এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য সরসপুর ব্রিজের কাজ বন্ধ, চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ, বর্ষার আগে দ্রুত কাজ শেষের দাবি এলাকাবাসীর। নাথেরপেটুয়ায় এসএসসি ও দাখিল ২০২৬ পরীক্ষার্থীদের বিশুদ্ধ পানি ও স্যালাইন বিতরণ করেন ইউনিয়ন ছাত্রদল

নাথেরপেটুয়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দান সংস্কারের আবেদন

আরিফুল ইসলাম মাহফুজ
  • আপডেট সময় : ০৯:২৫:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৯৬৬ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মনোহরগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যের অংশ নাথেরপেটুয়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দান প্রায় দেড় শতাব্দী ধরে ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের ঈদের প্রধান নামাজের স্থান হিসেবে অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করে আসছে। প্রায় ১৫০ বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারক এই ঈদগাহ শুধুমাত্র ধর্মীয় আয়োজনের কেন্দ্র নয়; এটি আমাদের সামগ্রিক সামাজিক সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও ঐতিহ্যের প্রতীক।

ইতিহাস ও গুরুত্ব

স্থানীয়দের অর্থায়নে এবং সক্রিয় অংশগ্রহণে প্রতিষ্ঠিত এই ঈদগাহটি দীর্ঘ সময় ধরে এলাকার মানুষের ঈদের খুশি ও ধর্মীয় মিলনমেলার এক অনন্য স্থান হিসেবে পরিচিত। সমাজের ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবাই এখানে এক কাতারে দাঁড়িয়ে ঈদের নামাজ আদায় করে আসছেন।

বর্তমান অবস্থা

দুঃখজনক হলেও সত্য, দীর্ঘ অবহেলা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে এই ঐতিহাসিক ঈদগাহ বর্তমানে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় রয়েছে। বিশেষ করে ২৪ এর ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর থেকে ঈদগাহের ফ্লোর, সীমানা প্রাচীর ও সাইট ওয়াল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

স্থানীয় মুরুব্বী, জনাব বজলুর রহমান সাহেব মুক্তশব্দ কে বলেন, পূর্বে মরহুম হাজী সেরাজুল ইসলাম চৌধুরী ও মুন্সী সুরুজ মিয়ার অবদান থাকলেও পরবর্তী সময়ে পর্যাপ্ত উদ্যোগ না থাকায় ঈদগাহটি আজ অবহেলিত অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে।

সংস্কার উদ্যোগ

সাম্প্রতিক সময়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কর্তৃক ক্ষুদ্র বাজেটের ভিত্তিতে আংশিক সংস্কারের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে পূর্ণাঙ্গ সংস্কারের জন্য প্রয়োজন বৃহৎ আর্থিক সহায়তা ও প্রশাসনিক সহযোগিতা।

আবেদন

এলাকার ধর্মপ্রাণ মানুষ ও স্থানীয় সমাজের পক্ষ থেকে আমরা দৃঢ়ভাবে আবেদন জানাচ্ছি—

স্থানীয় সমাজের বৃত্তশীল ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ যেন ঐতিহাসিক এই ঈদগাহের পূর্ণাঙ্গ সংস্কারের কাজে এগিয়ে আসেন। কেউ অংশগ্রহণ করতে চাইলে অবশ্যই ঈদগাহ কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করবেন।

উপজেলা প্রশাসন, জেলা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সুদৃষ্টি কামনা করছি যাতে প্রয়োজনীয় সরকারি বরাদ্দ ও সহযোগিতা প্রদান করা হয়।

নাথেরপেটুয়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দান শুধু একটি নামাজের স্থান নয়; এটি আমাদের ঐতিহ্য, বিশ্বাস, ইতিহাস ও সামাজিক বন্ধনের প্রতীক। তাই অবিলম্বে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে এই ঐতিহাসিক ঈদগাহকে পুনরুজ্জীবিত করা সময়ের দাবি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

নাথেরপেটুয়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দান সংস্কারের আবেদন

আপডেট সময় : ০৯:২৫:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মনোহরগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যের অংশ নাথেরপেটুয়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দান প্রায় দেড় শতাব্দী ধরে ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের ঈদের প্রধান নামাজের স্থান হিসেবে অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করে আসছে। প্রায় ১৫০ বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারক এই ঈদগাহ শুধুমাত্র ধর্মীয় আয়োজনের কেন্দ্র নয়; এটি আমাদের সামগ্রিক সামাজিক সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও ঐতিহ্যের প্রতীক।

ইতিহাস ও গুরুত্ব

স্থানীয়দের অর্থায়নে এবং সক্রিয় অংশগ্রহণে প্রতিষ্ঠিত এই ঈদগাহটি দীর্ঘ সময় ধরে এলাকার মানুষের ঈদের খুশি ও ধর্মীয় মিলনমেলার এক অনন্য স্থান হিসেবে পরিচিত। সমাজের ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবাই এখানে এক কাতারে দাঁড়িয়ে ঈদের নামাজ আদায় করে আসছেন।

বর্তমান অবস্থা

দুঃখজনক হলেও সত্য, দীর্ঘ অবহেলা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে এই ঐতিহাসিক ঈদগাহ বর্তমানে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় রয়েছে। বিশেষ করে ২৪ এর ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর থেকে ঈদগাহের ফ্লোর, সীমানা প্রাচীর ও সাইট ওয়াল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

স্থানীয় মুরুব্বী, জনাব বজলুর রহমান সাহেব মুক্তশব্দ কে বলেন, পূর্বে মরহুম হাজী সেরাজুল ইসলাম চৌধুরী ও মুন্সী সুরুজ মিয়ার অবদান থাকলেও পরবর্তী সময়ে পর্যাপ্ত উদ্যোগ না থাকায় ঈদগাহটি আজ অবহেলিত অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে।

সংস্কার উদ্যোগ

সাম্প্রতিক সময়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কর্তৃক ক্ষুদ্র বাজেটের ভিত্তিতে আংশিক সংস্কারের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে পূর্ণাঙ্গ সংস্কারের জন্য প্রয়োজন বৃহৎ আর্থিক সহায়তা ও প্রশাসনিক সহযোগিতা।

আবেদন

এলাকার ধর্মপ্রাণ মানুষ ও স্থানীয় সমাজের পক্ষ থেকে আমরা দৃঢ়ভাবে আবেদন জানাচ্ছি—

স্থানীয় সমাজের বৃত্তশীল ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ যেন ঐতিহাসিক এই ঈদগাহের পূর্ণাঙ্গ সংস্কারের কাজে এগিয়ে আসেন। কেউ অংশগ্রহণ করতে চাইলে অবশ্যই ঈদগাহ কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করবেন।

উপজেলা প্রশাসন, জেলা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সুদৃষ্টি কামনা করছি যাতে প্রয়োজনীয় সরকারি বরাদ্দ ও সহযোগিতা প্রদান করা হয়।

নাথেরপেটুয়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দান শুধু একটি নামাজের স্থান নয়; এটি আমাদের ঐতিহ্য, বিশ্বাস, ইতিহাস ও সামাজিক বন্ধনের প্রতীক। তাই অবিলম্বে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে এই ঐতিহাসিক ঈদগাহকে পুনরুজ্জীবিত করা সময়ের দাবি।