ঢাকা ১০:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ২২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
নাথেরপেটুয়ায় বৈশাখী মেলা পুনরায় আয়োজনের সম্ভাবনা: স্থানীয়দের আগ্রহ ও প্রত্যাশা নীরব হৃদয়ের আত্মিক জাগরণ হায় এ বিচ্ছেদ কতই না কঠিন।  নাথেরপেটুয়া শামসুল মাদ্রাসা সারাদেশে মেধা তালিকায় ৩১ ও ৫৪ তম স্থান লাভ করে আবারও শীর্ষে ঈদের আগমনী বার্তা। পবিত্র মাহে রমজান: আত্মশুদ্ধি, ত্যাগ ও বদরের চেতনা মাহে রমাদান, আত্নগঠনের সুবর্ণ সুযোগ। ডজনখানেক নেতাকর্মীর দলত্যাগ ও অসংখ্য নেতাকর্মীর অনাস্থায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নতুন ম্যান্ডেট, নতুন পথচলা,বিএনপির কাছে জনআকাঙ্ক্ষা ও আগামীর বাংলাদেশ নিস্তব্ধ আর যানজট মুক্ত শান্ত পরিবেশ মনোহরগঞ্জের জনবহুল বেশ কিছু বাজার ও বাণিজ্য কেন্দ্র।

নাথেরপেটুয়ায় বৈশাখী মেলা পুনরায় আয়োজনের সম্ভাবনা: স্থানীয়দের আগ্রহ ও প্রত্যাশা

আরিফুল ইসলাম মাহফুজ
  • আপডেট সময় : ০২:৪৮:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬ ২৩৩ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
  • নাথেরপেটুয়া অঞ্চলে একসময় পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বসতো ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী মেলা, যা ছিলো গ্রামবাংলার সংস্কৃতি, আনন্দ ও মিলনের এক অনন্য আয়োজন। সময়ের সাথে সেই প্রাণবন্ত মেলা আজ অনেকটাই হারিয়ে গেছে, তবে এখনো মানুষের মনে রয়ে গেছে এর মধুর স্মৃতি।

 

এই মেলায় দেখা যেত মাটির পুতুল, বাঁশ ও বেতের তৈরি বিভিন্ন শিল্পপণ্য, হাড়ি-পাতিলসহ নানা লোকজ সামগ্রীর সমাহার। নাগরদোলা ছিলো শিশু-কিশোরদের প্রধান আকর্ষণ, আর মুড়ি-মুড়কি, জিলাপি ও বাতাসার মতো ঐতিহ্যবাহী খাবার মেলাকে করে তুলতো আরও প্রাণবন্ত।

শুধু বিনোদনই নয়, এই মেলা স্থানীয় অর্থনীতির সাথেও ছিলো গভীরভাবে সম্পৃক্ত। গ্রামের কারুশিল্পীরা তাদের নিজ হাতে তৈরি পণ্য বিক্রির সুযোগ পেতেন, যা তাদের জীবিকা নির্বাহে সহায়ক ভূমিকা রাখতো।

বর্তমানে নাথেরপেটুয়া অঞ্চলের তরুণ সমাজের মাঝে আবারও এই ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী মেলা পুনরায় আয়োজন করা যায় কিনা-সে বিষয়ে আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তারা মনে করছেন, এমন একটি আয়োজন গ্রামীণ সংস্কৃতি চর্চার ক্ষেত্র তৈরি করবে এবং নতুন প্রজন্মকে দেশীয় ঐতিহ্যের সাথে পরিচিত করবে।

এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল, জনপ্রতিনিধি ও সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষের মতামত ও সহযোগিতা কামনা করা হচ্ছে। সম্মিলিত উদ্যোগ ও পরিকল্পনার মাধ্যমে কি আবারও প্রাণ ফিরে পেতে পারে নাথেরপেটুয়া’র সেই হারিয়ে যাওয়া বৈশাখী মেলা,এই প্রশ্নই এখন সবার সামনে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

নাথেরপেটুয়ায় বৈশাখী মেলা পুনরায় আয়োজনের সম্ভাবনা: স্থানীয়দের আগ্রহ ও প্রত্যাশা

আপডেট সময় : ০২:৪৮:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
  • নাথেরপেটুয়া অঞ্চলে একসময় পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বসতো ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী মেলা, যা ছিলো গ্রামবাংলার সংস্কৃতি, আনন্দ ও মিলনের এক অনন্য আয়োজন। সময়ের সাথে সেই প্রাণবন্ত মেলা আজ অনেকটাই হারিয়ে গেছে, তবে এখনো মানুষের মনে রয়ে গেছে এর মধুর স্মৃতি।

 

এই মেলায় দেখা যেত মাটির পুতুল, বাঁশ ও বেতের তৈরি বিভিন্ন শিল্পপণ্য, হাড়ি-পাতিলসহ নানা লোকজ সামগ্রীর সমাহার। নাগরদোলা ছিলো শিশু-কিশোরদের প্রধান আকর্ষণ, আর মুড়ি-মুড়কি, জিলাপি ও বাতাসার মতো ঐতিহ্যবাহী খাবার মেলাকে করে তুলতো আরও প্রাণবন্ত।

শুধু বিনোদনই নয়, এই মেলা স্থানীয় অর্থনীতির সাথেও ছিলো গভীরভাবে সম্পৃক্ত। গ্রামের কারুশিল্পীরা তাদের নিজ হাতে তৈরি পণ্য বিক্রির সুযোগ পেতেন, যা তাদের জীবিকা নির্বাহে সহায়ক ভূমিকা রাখতো।

বর্তমানে নাথেরপেটুয়া অঞ্চলের তরুণ সমাজের মাঝে আবারও এই ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী মেলা পুনরায় আয়োজন করা যায় কিনা-সে বিষয়ে আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তারা মনে করছেন, এমন একটি আয়োজন গ্রামীণ সংস্কৃতি চর্চার ক্ষেত্র তৈরি করবে এবং নতুন প্রজন্মকে দেশীয় ঐতিহ্যের সাথে পরিচিত করবে।

এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল, জনপ্রতিনিধি ও সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষের মতামত ও সহযোগিতা কামনা করা হচ্ছে। সম্মিলিত উদ্যোগ ও পরিকল্পনার মাধ্যমে কি আবারও প্রাণ ফিরে পেতে পারে নাথেরপেটুয়া’র সেই হারিয়ে যাওয়া বৈশাখী মেলা,এই প্রশ্নই এখন সবার সামনে।