ঢাকা ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
সোশ্যাল মিডিয়ায় সাড়া ফেলেছে ‘দায়িত্বশীল’ দলীয় শর্ট ফিল্ম ও সংগীত Gentle Opportunities and the Richard Casino No Deposit Bonus Respektowna rozgrywka i innowacyjne rozwiązania w świecie casoola Zkušený patolog a casoola platforma pro virtuální zábavu Grijp je kans, win groots duckysino casino biedt ongeëvenaarde spanning en directe uitbetalingen. ঝুঁকিপূর্ণ সেতুতে আতঙ্কিত শিক্ষার্থীরা: নাথেরপেটুয়ায় দ্রুত মেরামতের দাবি নাথেরপেটুয়ায় আবারও দুর্ঘটনা। নাথেরপেটুয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব পদ থেকে মাওলানা রাশেদুল ইসলাম রহমতপুরীকে অব্যাহতি, এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য সরসপুর ব্রিজের কাজ বন্ধ, চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ, বর্ষার আগে দ্রুত কাজ শেষের দাবি এলাকাবাসীর। নাথেরপেটুয়ায় এসএসসি ও দাখিল ২০২৬ পরীক্ষার্থীদের বিশুদ্ধ পানি ও স্যালাইন বিতরণ করেন ইউনিয়ন ছাত্রদল

মানুষ কেন অল্পতেই মারা যায় ?

সাহিত্য প্রতিবেদন
  • আপডেট সময় : ১০:৪৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫ ৯২৩ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

এক সময় বলা হতো,মানুষ এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি নিরাপদ। 

আধুনিক চিকিৎসা, উন্নত প্রযুক্তি, উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা,সবই মানুষের জীবনকে দীর্ঘ ও নিরাপদ করার কথা। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। আজকাল আমরা প্রায়ই শুনি,অল্প বয়সে হৃদ্‌রোগে মৃত্যু, হঠাৎ স্ট্রোকে প্রাণহানি, কিংবা সামান্য অসুস্থতাতেই মানুষের জীবন থেমে যাওয়া। প্রশ্ন জাগে মানুষ কেন আজ অল্পতেই মারা যায়?

★অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন

বর্তমান জীবনের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো অনিয়মিত জীবনধারা।জাঙ্ক ফুড, অতিরিক্ত তেল-মসলা, চিনি ও লবণ গ্রহণ শরীরকে ধীরে ধীরে দুর্বল করে দিচ্ছে। শারীরিক পরিশ্রম কমে যাওয়া, দীর্ঘ সময় বসে কাজ করা এবং পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব হৃদ্‌রোগ, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

★মানসিক চাপ ও উদ্বেগ

আজকের মানুষ শারীরিকের চেয়ে মানসিকভাবে বেশি ক্লান্ত। চাকরি, পড়াশোনা, পারিবারিক দায়িত্ব, সামাজিক চাপ, সব মিলিয়ে মানসিক চাপ বেড়েই চলেছে। দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক ও আত্মহত্যার মতো ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনছে।

★পরিবেশ দূষণ,

বায়ু, পানি ও শব্দ দূষণ মানুষের স্বাস্থ্যের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। বিষাক্ত বাতাস ফুসফুস ও হৃদ্‌যন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত করছে, দূষিত পানি বিভিন্ন জটিল রোগের জন্ম দিচ্ছে। শহরাঞ্চলে বসবাসকারী মানুষ এই ঝুঁকিতে সবচেয়ে বেশি।

★চিকিৎসায় অবহেলা ও দেরি

অনেকে অসুস্থ হলেও চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে দেরি করেন। আবার কেউ কেউ ভুল চিকিৎসা বা অনলাইন পরামর্শের উপর নির্ভর করেন। সময়মতো সঠিক চিকিৎসা না পাওয়াই অনেক ক্ষেত্রে অকাল মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

★সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয়

পারিবারিক বন্ধন দুর্বল হয়ে পড়ছে। একাকীত্ব, অবহেলা ও মানবিক সম্পর্কের অভাব মানুষকে মানসিকভাবে ভেঙে দিচ্ছে। সামাজিক সহানুভূতির অভাবও মানুষের জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলছে।

অবশেষে বলবো,মানুষ অল্পতেই মারা যায়,এটি শুধু চিকিৎসা সমস্যার ফল নয়; এটি আমাদের জীবনধারা, মানসিকতা ও সমাজব্যবস্থার প্রতিফলন। সুস্থ জীবনযাপন, মানসিক প্রশান্তি, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং সচেতন সমাজ গড়ে তুলতে পারলেই অকাল মৃত্যুর সংখ্যা কমানো সম্ভব। এখনই সময়—নিজের জীবন নিয়ে নতুন করে ভাবার।

মোঃ সাফায়েত আহম্মেদ রাফি 

সিটি ইউনিভার্সিটি 

কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (ব্যাচ: ৬৪)

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মানুষ কেন অল্পতেই মারা যায় ?

আপডেট সময় : ১০:৪৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫

এক সময় বলা হতো,মানুষ এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি নিরাপদ। 

আধুনিক চিকিৎসা, উন্নত প্রযুক্তি, উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা,সবই মানুষের জীবনকে দীর্ঘ ও নিরাপদ করার কথা। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। আজকাল আমরা প্রায়ই শুনি,অল্প বয়সে হৃদ্‌রোগে মৃত্যু, হঠাৎ স্ট্রোকে প্রাণহানি, কিংবা সামান্য অসুস্থতাতেই মানুষের জীবন থেমে যাওয়া। প্রশ্ন জাগে মানুষ কেন আজ অল্পতেই মারা যায়?

★অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন

বর্তমান জীবনের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো অনিয়মিত জীবনধারা।জাঙ্ক ফুড, অতিরিক্ত তেল-মসলা, চিনি ও লবণ গ্রহণ শরীরকে ধীরে ধীরে দুর্বল করে দিচ্ছে। শারীরিক পরিশ্রম কমে যাওয়া, দীর্ঘ সময় বসে কাজ করা এবং পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব হৃদ্‌রোগ, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

★মানসিক চাপ ও উদ্বেগ

আজকের মানুষ শারীরিকের চেয়ে মানসিকভাবে বেশি ক্লান্ত। চাকরি, পড়াশোনা, পারিবারিক দায়িত্ব, সামাজিক চাপ, সব মিলিয়ে মানসিক চাপ বেড়েই চলেছে। দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক ও আত্মহত্যার মতো ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনছে।

★পরিবেশ দূষণ,

বায়ু, পানি ও শব্দ দূষণ মানুষের স্বাস্থ্যের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। বিষাক্ত বাতাস ফুসফুস ও হৃদ্‌যন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত করছে, দূষিত পানি বিভিন্ন জটিল রোগের জন্ম দিচ্ছে। শহরাঞ্চলে বসবাসকারী মানুষ এই ঝুঁকিতে সবচেয়ে বেশি।

★চিকিৎসায় অবহেলা ও দেরি

অনেকে অসুস্থ হলেও চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে দেরি করেন। আবার কেউ কেউ ভুল চিকিৎসা বা অনলাইন পরামর্শের উপর নির্ভর করেন। সময়মতো সঠিক চিকিৎসা না পাওয়াই অনেক ক্ষেত্রে অকাল মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

★সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয়

পারিবারিক বন্ধন দুর্বল হয়ে পড়ছে। একাকীত্ব, অবহেলা ও মানবিক সম্পর্কের অভাব মানুষকে মানসিকভাবে ভেঙে দিচ্ছে। সামাজিক সহানুভূতির অভাবও মানুষের জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলছে।

অবশেষে বলবো,মানুষ অল্পতেই মারা যায়,এটি শুধু চিকিৎসা সমস্যার ফল নয়; এটি আমাদের জীবনধারা, মানসিকতা ও সমাজব্যবস্থার প্রতিফলন। সুস্থ জীবনযাপন, মানসিক প্রশান্তি, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং সচেতন সমাজ গড়ে তুলতে পারলেই অকাল মৃত্যুর সংখ্যা কমানো সম্ভব। এখনই সময়—নিজের জীবন নিয়ে নতুন করে ভাবার।

মোঃ সাফায়েত আহম্মেদ রাফি 

সিটি ইউনিভার্সিটি 

কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (ব্যাচ: ৬৪)